কীভাবে টাকা বাড়ানো যায়? সেরা বিনিয়োগ কী হতে পারে ?

 

টাকা বৃদ্ধি করার উপায় কি, কিভাবে টাকা বাড়ানো যায়,কোথায় বিনিয়োগ করবেন টাকা,ঘরে বসে টাকা আয় করার সেরা বিনিয়োগ হলো জমি কেনা,টাকা বাড়ানোর কার্যকারী উপায়,টাকা দিয়ে টাকা বানানোর উপায়,টাকা বাড়ানোর নানা উপায়,কীভাবে টাকা বাড়ানো যায়?,কীভাবে টাকা বাড়ানো যায়? 8,কীভাবে টাকা ম্যানেজ করবো,টাকা বিনিয়োগ করার উপায়,টাকা জমানোর উপায়,জেনে নিন টাকা বাড়ানোর নানা উপায়,কীভাবে টাকা বাড়ানো যায়,টাকা জমানোর কৌশল,কিভাবে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করবেন,টাকা জমানো,টাকা,টাকা কিভাবে আয় করা যায়,বিনিয়োগ টাকা বিনিয়োগের সঠিক মাধ্যম কি


ধন্যবাদ আপনার সুন্দর প্রশ্নটির জন্য, টাকাকে বাড়ানোর জন্য বেশ কিছু জায়গা আছে, সে জায়গাগুলোকে আগে একটু প্রাথমিকভাবে দেখে নেই যা আসলে বর্তমান যদি আমরা টাকাকে বৃদ্ধি করতে চাই তাহলে কিভাবে বৃদ্ধি করতে পারব?


কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ফিক্সড ডিপোজিট যদি আমরা এই মুহূর্তে করি তাহলে ১২ বছর সময় লাগবে টাকাকে দ্বিগুণ করতে হলে।


ঋণ তহবিল (debt fund) এখানে যদি আমরা বিনিয়োগ করি তাহলে প্রায় ১২ বছর লাগবে টাকা দ্বিগুণ করতে।


রিয়েল এস্টেট এর বর্তমান অবস্থা বেশ করুন সেখানে টাকা ডাবল হতে কমপক্ষে ১৬ থেকে 20 বছর লাগবে।


সোনাতে টাকা ইনভেস্ট করা যেতে পারে সেখানে ৮ থেকে ১২ শতাংশ রিটার্ন পাওয়া যায় সেখানে টাকা ডবল হতে ৮ বছরের উপরে সময় লেগে যেতে পারে।


সেভিংস একাউন্টে ২ থেকে ৩ পারসেন্ট রিটার্ন পাওয়া যায় যেখানে আজকের হিসাব অনুযায়ী যদি টাকা জমা রাখা যায় তাহলে ডাবল হতে প্রায় 20 বছর লেগে যাবে।


কারেন্ট একাউন্টে 0 রিটার্ন সেখানে কোনোভাবেই দ্বিগুণ করার কোন বুদ্ধি নাই।


শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করা যায় কিন্তু বর্তমান কিছু নেতিবাচক অবস্থার কারণে অনেকেই সেখানে বিনিয়োগ করার মত আস্থা হারিয়ে ফেলেছে।


তাহলে এখন প্রশ্ন হচ্ছে কোথায় বিনিয়োগ করা যায়? তার মধ্যে একটি বিষয় হচ্ছে যদি আপনার কোনো আর্থিক জ্ঞান না থাকে তাহলে বিনিয়োগ করার কোন প্রশ্নই আসে না।


আর্থিক জ্ঞান ছাড়া আপনি যেখানে বিনিয়োগ করতে যান না কেন, আপনাকে অবশ্যই বেশ কিছুটা ঝুঁকি নিতেই হবে এবং আমার ব্যক্তিগত মতামত হবে আর্থিক কারণ ছাড়া বিনিয়োগ করা একদম বোকামি।


তাই টাকাকে বৃদ্ধি করা অর্থাৎ দ্বিগুণ, চারগুণ, ৫গুন এমনকি ৫০ গুন ও আপনি করতে পারবেন এর জন্য তিনটি রাস্তা কে অবলম্বন করা যেতে পারে।


(i) স্পষ্টতা হল চরম শক্তিশালী একটি বিষয়। যদি আপনি আপনার টাকা কে দ্বিগুণ করতে চান তাহলে আপনার লার্নিং অর্থাৎ স্পষ্টতাকে আগে তিনগুণ বৃদ্ধি করতে হবে। পৃথিবীর কেউ আপনার টাকা কে বৃদ্ধি করে দিতে পারবে না, আপনার টাকা আপনার বুদ্ধি দিয়েই বাড়াতে হবে।


কিভাবে টাকাকে বৃদ্ধি করতে হয় এর জন্য আপনার ভিতর চরম আকারে স্পষ্টতা তৈরি করতে হবে আর স্পষ্টতা চুম্বকের মত কাজ করে এবং এই স্পষ্টতা আপনার ভিতরে ফোকাস তৈরি করবে যা কম্পাউন্ড ইফেক্টের গতিতে বৃদ্ধি পেতে থাকবে।


তাই সবার আগে স্পষ্টতা তৈরি করার জন্য আপনাকে আগে লার্নিং নিতে হবে তারপর আপনি টাকাকে কিভাবে মাল্টিপ্লাই করবেন সেটা স্পষ্টতাই আপনাকে শিখিয়ে দেবে।


বিষয়টা শুনতে একটু অবাক লাগতে পারে, তবে সত্য হচ্ছে এটাই যে আপনাকে বিনিয়োগের বিভিন্ন কলাকৌশল শিখতেই হবে এবং সেগুলো অবশ্যই একশন অরিয়েন্টেড লার্নিং নিতে হবে।


(ii) স্টার্টআপ বর্তমান এটি এমন একটি নোট ছাপার মেশিন। যারা বুঝতে পারে তারা তাদের সমস্ত সময়, শক্তি এবং অর্থ এখানে বিনিয়োগ করে।


উদাহরণ দিতে হলে বেশিদূর যেতে হবে না, বর্তমান ভারত হচ্ছে ইউনিকর্ন অর্থাৎ বিলিয়ন ডলারের স্টার্টআপ তৈরি করাতে পুরো পৃথিবীতে ১০ নম্বর রেংকিং এর ভিতর চলে এসেছে।


১০ থেকে ১৫ বছর আগে একটি বিলিয়ন ডলারের স্টার্টআপ তৈরি করার জন্য দশ বছর সময় অপেক্ষা করা লাগতো, পরিসংখ্যান বলছে এখন ভারতে ৯ দিনে একটা করে বিলিয়ন ডলারের স্টার্টআপ তৈরি হচ্ছে। তাহলে আমার কথা অনুযায়ী এখন আপনি বুঝতেই পারছেন যে স্টার্টআপ হচ্ছে একটি নোট ছাপার মেশিন।


ব্যাংকে যে টাকা ডাবল হতে ১২ বছর সময় লাগে। আপনি যদি সময় উপযোগী কোন স্টার্টআপ শুরু করতে পারেন এবং ভালো মেন্টর এর গাইডলাইন নিয়ে যদি এটাকে পরিচালনা করতে পারেন তাহলে টাকা কে আপনি বছরে 100%, 200% এবং 300% শতাংশ হারে বৃদ্ধি করতে পারবেন। (স্টার্টআপ এর উপরে বেশ কিছু পোস্ট আমি তৈরি করেছি এবং খুব শীঘ্রই এই প্লাটফর্মে পাবলিশ করে দিব)


(iii) বিনিয়োগ একটা গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক দক্ষতার মধ্যে একটি বর্তমান বাংলাদেশের প্রায় ৯০% মানুষের ভিতরে এই দক্ষতাটা নাই বললেই চলে। বিনিয়োগের অনেক ধরনের ভাগ আছে বুঝে শুনে যদি করতে পারেন তাহলে টাকা দ্বিগুণ এবং তিন গুণ এর চাইতেও আপনি অনেক গুণ বেশি রিটার্ন আপনি পেয়ে যেতে পারেন একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই।


বিনিয়োগ যে শুধু শেয়ারবাজারে করতে হয় তা কিন্তু না, আপনি বিভিন্ন ধরনের স্টার্টআপ এবং বিভিন্ন ধরনের ব্যবসার উপরে বিনিয়োগ করতে পারেন। এর জন্য আপনাকে বিনিয়োগের প্রাথমিক এবং ফান্ডামেন্টাল জ্ঞান অবশ্যই থাকতেই হবে।


বিনিয়োগের উপর বেশ কিছু পোস্ট আমি এই প্লাটফর্মে নিয়মিত পাবলিশ করে যাব এবং বেশ কিছু অ্যাকশন অরিয়েন্টেড টিপস আমি শেয়ার করব বিনিয়োগের উপরে।


আমার এই পোস্টটি আপনাদের ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন   (হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক টুইটার, লিঙ্কডইন, সহ অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন গ্রুপে) আপনাদের পরিচিত বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে আর অবশ্যই লাইক করে আমাকে উৎসাহিত করবেন যাতে আমি পরবর্তীতে এ ধরনের ভাল ভাল পোষ্ট আপনাদের সামনে নিয়ে উপস্থিত হতে পারি।


ব্যবসার পুঁজি, স্বল্প পুঁজি, ক্ষুদ্র ব্যবসা, ব্যবসা পরিকল্পনা, উদ্যোগ, লাভজনক ব্যবসা, অনলাইনে বিক্রি করা, পণ্য উন্নয়ন, বিনিয়োগ পরামর্শ, ব্যবসার আইডিয়া এবং ক্যারিয়ার অরিয়েন্টেড আধুনিক সব কনটেন্ট পেতে আমাকে অনুসরণ করুন যাতে পরবর্তীতে আমার পোস্টগুলো আপনি সবার আগে পেতে পারেন।



Share It