কি কি উপায়ে আমেরিকার গ্রিন কার্ড পাওয়া যাবে

America green card, how to get America green card,  easy way to go to America, how to get green card from America visit visa,  how to go to America, cost of America visa,  how to get job visa in America, how to get green card,  America green in 5 weeks Card,  green card from visit visa in America, what is green card


  1. আমেরিকার গ্রিন কার্ড কি ,
  2. আমেরিকার গ্রীন কার্ড কি ভাবে পাওয়া যায়,আমেরিকা যাওয়ার সহজ উপায়,
  3. আমেরিকা ভিজিট ভিসা থেকে গ্রীন কার্ড পাওয়ার উপায়,আমেরিকা কিভাবে যাওয়া যায়,
  4. আমেরিকার ভিসা খরচ,আমেরিকায় জব ভিসা পাওয়ার উপায়,
  5. গ্রিন কার্ড পাওয়ার উপায়,৫ সপ্তাহে আমেরিকার গ্রীন কার্ড,
  6. আমেরিকায় ভিজিট ভিসা থেকে গ্রিন কার্ড,
  7. গ্রীন কার্ড কি


বেশিরভাগ উন্নত দেশে স্থায়ী বসবাস করার সুযোগ রয়েছে। এর প্রধান কারণ - সেইসব দেশে ঘনবসতি কম। তাই বলে, তারা যাকে তাকে স্থায়ী বসবাস করার সুযোগ দেয় না। শুধুমাত্র যোগ্য মানুষকে সুযোগ দেয়। এমন স্থায়ী বসবাস করাকে Permanent Residency অথবা Migration বলে। আমেরিকায় সেটা গ্রীন কার্ড নামে পরিচিত।

এমন Migration এর জন্য বিভিন্ন ক্যাটেগরি আছে। যেমন..

Skilled Migration : এই ক্যাটাগরিতে সবচেয়ে বেশি মানুষ বিদেশে স্থায়ী হয়। শিক্ষাগত যোগ্যতা, কর্ম দক্ষতা ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে স্থায়ী বসবাস করার সুযোগ হয়। যেসব ছাত্র বিদেশে লেখাপড়া করতে গিয়ে স্থায়ীভাবে থেকে যায়, তারাও এই ক্যাটেগরিতে পরে।

Family Migration : খুব নিকট আত্মীয়, যেমন বাবা মা, ভাই বোন ইত্যাদি সেই দেশের নাগরিক হলে, বিশেষ শর্ত সাপেক্ষে স্থায়ী থাকার সুযোগ পাওয়া যায়। যদিও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, স্বামী বা স্ত্রী এই সুযোগ গ্রহণ করে।

Business Migration : সেই দেশে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ করে কিছু শর্ত সাপেক্ষে ব্যবসা করলে, স্থায়ী বসবাসের সুযোগ পাওয়া যায়।

Investment Migration : একটি বড় অংকের টাকা সেই দেশে বিনিয়োগ করলে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ হয়। টাকা কাউকে দিতে হবে না। নিজের টাকা নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে রাখলেই সেটা বিনিয়োগ হিসাবে গন্য হয়। মোট কথা, টাকাটা সেই দেশে নিয়ে যেতে হবে।

Migration by Achievement : এই নামটা হয়তো সঠিক হয়নি। এই ক্যাটাগরি বানিয়েছে তাদের জন্য যারা অনেক বড় কোন অর্জন করেছে, যেটা ওই দেশে সুনাম বয়ে আনবে। আসলে নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত, অলিম্পিকে মেডেল প্রাপ্ত, ইত্যাদি মানুষের কথা চিন্তা করে এই ক্যাটাগরি বানিয়েছে। তবুও বিভিন্ন দেশের তারকা শিল্পীরা এই সুযোগে গ্রহণ করে।


মনে রাখবেনঃ আমি শুধুমাত্র মুল নিয়মটা বলেছি। এর ভেতরে অনেক ধরনের শর্ত আছে। এসব নিয়ম শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র নয়, প্রায় সকল উন্নত দেশের জন্য প্রযোজ্য (ভিন্ন দেশে ভিন্ন শর্ত)।

শাকিব খান সম্পর্কে যা জানা গেছে, তাতে বোঝা যায়, তিনি শুধুমাত্র শেষের দুইটি ক্যাটাগরীর জন্য উপযুক্ত হতে পারেন। তিনি একজন তারকা শিল্পী। এই ক্যাটাগরীতে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ পেতে পারেন। তবে সেটা একটু জটিল ও সময় সাপেক্ষ। উনার জন্য সবচেয়ে সহজ উপায় হলো - Investment Migration। এমন ক্যাটাগরীর জন্য বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন অংকের টাকা নিয়ে যাওয়া লাগে। এই টাকার অংক গড়ে সর্বনীম্ন দেড় মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশের টাকায় সেটা ১২ কোটি টাকা। তাছাড়া, এভাবে মাইগ্রেশন খুব সহজে ও দ্রুত হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, ৬ মাসের মধ্যেই স্থায়ী ভিসা হয়ে যায়। শাকিব খান একজন ধনী তারকা। তার পক্ষে এমন করাটা খুবই সহজ।


Share It